সিলেটTuesday , 30 August 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. ব্রেকিং নিউজ
  13. মতামত
  14. মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু
  15. রাজনীতি

চট্টগ্রামে বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষ

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়ার ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার বাসায় হামলা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৮ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাকলিয়ার বাদামতল এলাকায় বিএনপির পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ কর্মসূচি ছিল। সেখানে বিকেলে বিএনপির প্রায় হাজার খানেক নেতাকর্মী জড়ো হন। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন মিছিল নিয়ে সেখানে যান। তখন উভয়পক্ষের ধাওয়া, পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, বাদামতল এলাকায় বিএনপির কর্মসূচি ছিল। তাদের কর্মসূচি মিয়াখান নগরে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশ শুরুর আগে হাজারের বেশি বিএনপি নেতাকর্মী জড়ো হন। এ সময় ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়া ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন মিছিল নিয়ে সেখানে যান। তখন দুই গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে যায়। পুলিশ তাদের গতিরোধের চেষ্টা করে। এরই একপর্যায়ে উভয়পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনাস্থলে আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল। পুলিশ দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর ঘটনাস্থল থেকে উভয়পক্ষই চলে গেছে।

তিনি বলেন, ঘটনার জেরে নগরীর মিয়াখান নগর এলাকায় কাউন্সিলর নুরুল আলম মিয়ার বাসায় বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে বাসার দোতলার জানালার কাচ ভাঙা দেখতে পেয়েছি। নিচতলায় কাউন্সিলরের কার্যালয়ের কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর অবস্থায় পেয়েছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, সংঘাতের পর দক্ষিণ বাকলিয়া খেজুরতল থেকে মিছিল শুরু করে বউবাজার হয়ে মিয়াখান নগর ব্রিজে এসে সমাবেশের মাধ্যমে বিএনপির কর্মসূচি শেষ হয়। জ্বালানি তেল ও নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিসহ অসহনীয় লোডশেডিং এবং ভোলায় গুলি করে নূরে আলম ও আবদুর রহমানকে হত্যার প্রতিবাদে এই মিছিলের আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিএনপির গণজোয়ার রুখতে সন্ত্রাসীদের মাঠে নামিয়েছে আওয়ামী লীগ। সারাদেশে বিএনপির গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এই জাগরণে আওয়ামী লীগে কাঁপন ধরেছে। বিএনপির সমাবেশে জনগণের বাঁধভাঙা এই জোয়ার রুখতে দলীয় সন্ত্রাসীদের মাঠে নামিয়েছে। বিএনপি জনগণের অধিকার নিয়ে রাজপথে কর্মসূচি দিয়েছে। আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে থানায় থানায় শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করছি। বিএনপির কর্মসূচিকে জনগণ সমর্থন দিয়েছে। জনগণ বিএনপির সাথে রাজপথে নেমে এসেছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা জনগণের অধিকারের বিরুদ্ধে রাজপথে অবস্থান নিচ্ছে। আজ আমরা যখন আন্দরকিল্লায় সমাবেশ করছি তখন শুনতে পেয়েছি দক্ষিণ বাকলিয়ায় মিয়াখান নগরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা আমাদের মিছিলে হামলা চালিয়েছে। ১৯নং দক্ষিণ বাকলিয়ার শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বিনা উস্কানিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়ে নেতাকর্মীদের আহত করেছে। প্রশাসনকে বলতে চাই, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে যে সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুন। কোনো হামলা মামলা দিয়ে বিএনপির আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা যাবে না।