সিলেটSunday , 23 October 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি

বিয়ানীবাজারে প্রাথমিকের ২২৬৯৭ শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির টাকা আটকা

Link Copied!

Manual8 Ad Code

সিলেট কন্ঠ ডেস্ক:
অর্থাভাবে শিক্ষার সুযোগ বঞ্চিত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করতে উপবৃত্তি দিয়ে আসছে সরকার। ভোগান্তি এড়াতে উপবৃত্তির টাকা দেওয়া হয় অভিভাবকের মোবাইল ওয়ালেটে। চলতি বছরে বিয়ানীবাজারে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২৬৯৭ জন শিক্ষার্থীর ৬ মাসের উপবৃত্তির অর্থ আটকে আছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এসব শিক্ষার্থীর অভিভাবক। অবশ্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস জানায়, শিগগির সব টাকা পরিশোধ করা হবে।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শিক্ষার্থীদের টাকা প্রদানে নতুন করে মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ২৫ অক্টোবর বাদ পড়া এসব শিক্ষার্থীর হাতে উপবৃত্তির অর্থ পাঠানোর কথা রয়েছে। গত এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রাথমিকের উপবৃত্তি কার্যক্রম রাজস্ব খাতে নেওয়া হলেও জনবল নিয়োগ না হওয়ায় এ কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে।

Manual8 Ad Code

জানা যায়, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রকল্পের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা দেওয়া হতো। সবশেষ প্রকল্প চলাকালীন অর্থ বণ্টন করা হতো মোবাইল ব্যাংকিং ‘নগদ’র মাধ্যমে। চলতি বছরের জুলাই থেকে এ প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ায় নগদ যে সফটওয়্যারে কাজ করতো তা বাতিল করা হয়। এটি রাজস্ব খাতে নেওয়ায় সরকারি ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ সফটওয়্যারে নতুন করে তথ্য সংগ্রহ করার কাজ শুরু হয়। ছয় মাস ধরে মাঠ পর্যায়ের ডাটা সংগ্রহের কাজ চলে।

জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারী থেকে বিয়ানীবাজারে শিক্ষার্থীদের অর্থ আটকে যায়। তথ্য অনুযায়ী জুন পর্যন্ত ছয় মাসের টাকা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অভিভাবক যে মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর দিয়েছেন, সেটির মাধ্যমে উপবৃত্তি দেওয়া হবে।

Manual8 Ad Code

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, উপবৃত্তির জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনলাইনে শিক্ষার্থীর তথ্য যুক্ত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে পাঠান। তিনি সেটি অনুমোদন করে পাঠান জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে। জেলা থেকে সেটি অধিদপ্তরে পাঠালে প্রোগ্রামারের কাছে পাঠানো হয়। সেখান থেকে যুক্ত করা হয় ‘আইবাস প্লাস প্লাস’ সফটওয়্যারে। বিদ্যালয় থেকে তথ্য পাঠানোর পর নানা ধরনের ভুল-ভ্রান্তি ধরা পড়ে। যেমন কোনো অভিভাবক জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিতে পারেননি, মোবাইল নম্বর ভুল, অর্থ উত্তোলন মাধ্যম ভুল নির্বাচন প্রভৃতি ভুল ধরা পড়ে। এ কারণে অনেক শিক্ষার্থীর উপবৃত্তির অর্থ আটকে যায়।

Manual4 Ad Code

সংশ্লিষ্টরা জানান, ১৯৯৯ সালে প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে ২০০৮ সালে ‘প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প (দ্বিতীয় পর্যায়)’ গ্রহণ করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Manual6 Ad Code

দ্বিতীয় পর্যায়ের মেয়াদ ২০১৫ সালের ৩০ জুন শেষ হয়। এরপর ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত তৃতীয় পর্যায় প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। এ পর্যায়ে প্রথমে ১ কোটি ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেওয়া হয়। পরে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয় আরও ১০ লাখ শিক্ষার্থী। প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলে আরও দুই বছর সময় বাড়ানো হয়। সবশেষ সংশোধনীতে আরও দেড় বছর বাড়িয়ে গত বছরের ৩০ জুন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রোমান মিয়া বলেন, আটকে থাকা এক কিস্তির টাকা দ্রুত পরিশোধ করা হবে। তিনি বলেন, আগে শিক্ষার্থীর পরিবারকে মাসে ১০০ টাকা দেওয়া হলেও এখন ১৫০ টাকা করে দেওয়া হয়। একইভাবে দুই শিক্ষার্থীর পরিবারকে ২০০ টাকার বদলে ৩০০ টাকা, তিন শিক্ষার্থীর পরিবারকে ২৫০ টাকার জায়গায় ৪০০ টাকা এবং চার শিক্ষার্থীর পরিবারকে মাসে ৩০০ টাকার জায়গায় ৫০০ টাকা করে উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশ, রকেট, এমক্যাশ, উপায়, ট্যাপ, মাই ক্যাশ, টেলিক্যাশ, ওকে ওয়ালেট ও ইসলামিক ওয়ালেট এবং ডাক বিভাগের নগদের মাধ্যমে উপবৃত্তির অর্থ অভিভাবকদের মোবাইলে পাঠানো হয়।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code