সিলেটTuesday , 1 November 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. ব্রেকিং নিউজ
  13. মতামত
  14. মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু
  15. রাজনীতি

বকেয়া দাবিতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

Link Copied!

স্টাফ রিপোটার:
রাজধানীর মতিঝিল থানাধীন আরামবাগ এলাকা থেকে অলি অ্যাপারেলস নামে একটি কারখানা স্থানান্তর না করা ও বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন গার্মেন্টসটির শ্রমিকরা। শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও রাস্তা অবরোধ কর্মসূচির কারণে ওই এলাকায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার (১ নভেম্বর) সকাল ৮টার পর থেকে নটরডেম কলেজের সামনের রাস্তা অবরোধ করে শ্রমিকরা এ কর্মসূচি পালন করছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইয়াসির আরাফাত বলেন, আমরা শ্রমিকদের রাস্তা অবরোধের কথা শুনে ঘটনাস্থলে এসেছি। ঘটনাস্থলে এসে আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, আরামবাগ এলাকার একটি গার্মেন্টসকে রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। কোনো কিছু না জানিয়ে হঠাৎ করে মালিকপক্ষ কারখানা স্থানান্তর করায় বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা।

আরও জেনেছি, শ্রমিকদের কয়েক মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। সেই বকেয়া বেতনের দাবিতেও তারা রাস্তায় নেমেছেন। ঘটনাস্থলে মাত্র এসে প্রাথমিকভাবে আমরা এসব তথ্য জেনেছি। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি এবং রাস্তায় যানচলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি, বলেন তিনি।

দুপুর পৌনে ১টা নাগাদ মতিঝিল থানার পরিদর্শক (পেট্রোল) মো. বেলাল হোসেন বলেন, গার্মেন্টসটি আরামবাগে অবস্থিত। গতকাল গার্মেন্টসে মালিকপক্ষ একটি নোটিশ দেয় যে কারখানাটি রাজধানীর দক্ষিণখানে স্থানান্তর করা হচ্ছে। এরপর গার্মেন্টস শ্রমিকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে যে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

শ্রমিকরা আমাদের বলে, আসলে গার্মেন্টসটি স্থানান্তর হচ্ছে না, মূলত স্থানান্তরের নোটিশ দিয়ে মালিক এটি বন্ধ করে দিচ্ছে কোনো ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়া। এছাড়া তাদের এক মাসের বেতন ও বকেয়া রেখে দিয়েছে মালিকপক্ষ। যে পর্যন্ত তাদের এই বিষয়গুলো সুরাহা না হবে সে পর্যন্ত তারা রাস্তা ছেড়ে যাবেন না বলে ঘোষণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, শ্রমিকরা এখনো রাস্তা অবরোধ করে রেখেছে। ফলে মতিঝিল এলাকা থেকে আরামবাগ পর্যন্ত একপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। আমরা গার্মেন্টসের মালিকপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি। কিন্তু তাদের কোনো প্রতিনিধিকে এখন পর্যন্ত পাইনি। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে রয়েছেন, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য যথাসাধ্য কাজ করছেন।