সিলেটSunday , 6 November 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি

পৃথিবীর যে স্থানকে জান্নাতের অংশ বলা হয়

Link Copied!

Manual4 Ad Code

ধর্ম ডেস্ক:
পৃথিবীতে ফজিলত ও গুরুত্বপূর্ণ যেসব স্থান রয়েছে তার একটি মসজিদে নববী। আল্লাহ তায়ালার একত্ববাদের পক্ষে মানুষকে আহ্বান করার সময় যখন মক্কার কাফের-মুশরিকদের অত্যাচার-নির্যাতন সীমাহীন পর্যায়ে চলে যায় ঠিক তখনি আল্লাহর নির্দেশে মদিনায় হিজরত করেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

মদিনায় হিজরত করে সর্বপ্রথম তিনি মসজিদ নির্মাণের প্রতি গুরুত্ব দেন। মদীনায় প্রবেশের পর রাসুল (স.)-এর উটনি ‘কাসওয়া’ যে স্থানটিতে বসে পড়েছিল, সেই স্থানেই তৈরি করা হয় ঐতিহাসিক মসজিদে নববী। মদিনার দুই এতিম বালক সাহল ও সোহাইলের কাছ থেকে ১০ দিনারের বিনিময়ে জায়গা কিনে নেওয়া হয়, যা হযরত আবু বকর (রা.) পরিশোধ করেন। জমির ছোট এক অংশে রাসুল (স.)-এর জন্য বাসস্থান এবং বাকি পুরো অংশে তৈরি করা হয় মসজিদ।

মসজিদে নববীর বিশেষ ফজিলত বর্ণিত হয়েছে হাদিসে। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মসজিদে নববিতে এক ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা মসজিদে হারাম ছাড়া পৃথিবীর যেকোনো মসজিদে এক হাজার ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের চেয়েও উত্তম।’ (বুখারি: ১১৯০; মুসলিম: ১৩৯৪)

নবীজির জীবদ্দশা এবং খুলাফায়ে রাশেদীনের সময়কাল পর্যন্ত মসজিদে নববীই ছিল তৎকালীন মুসলমানদের মূলকেন্দ্র। এখান থেকেই পরিচালিত হত মুসলিম বিশ্ব। ইতিহাস-ঐতিহ্য, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যতা সব দিক থেকেই মুসলমানদের কাছে মসজিদে নবীর গুরুত্ব অপরিসীম।

Manual8 Ad Code

এসবের পাশাপাশি মসজিদে নববীর মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করেছে সেখানে অবস্থিত একটি অংশ, যাকে রিয়াজুল জান্নাত বা জান্নাতের অংশ বলা হয়। স্বয়ং নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক হাদিসে বলেছেন,

‘আমার ঘর ও মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থান জান্নাতের বাগানগুলোর একটি বাগান আর আমার মিম্বার অবস্থিত আমার হাউজ (কাউসার)-এর ওপরে। -(বুখারী :১১৯৬, ১১২০; মুসলিম : ২৪৬৩)
এই হাদিসের মাধ্যমে মসজিদে নববীর এই অংশটির আলাদা বৈশিষ্ট্যের বিষয়টি বুঝে আসে। ফজিলতপূর্ণ এই জায়গাতে জিকির আজকার, নামাজ ও ইবাদত করার ইচ্ছে থাকে প্রত্যেক মুমিনের। হজ, ওমরা করতে যাওয়া প্রত্যেকেই ছুটে যান মসজিদে নববীতে। জীবনের অন্যতম আকাঙ্খা পূরণ করেন রিয়াজুল জান্নাতে নামাজ পড়ে।

Manual1 Ad Code

রিয়াজুল জান্নাতের ভেতরে কয়েকটি স্তম্ভ বা খুটি রয়েছে, সেগুলোকে রহমতের স্তম্ভ বলে। এগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাদীস ও ইতিহাসের কিতাবে বর্ণিত অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন ও স্মৃতি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর যুগে এসব খুঁটি ছিল খেজুর গাছের।

Manual4 Ad Code

পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে মুসলিম শাসকরা মসজিদে নববীর দেখভাল ও পরিচর্যা করেন। উসমানী সুলতান ‍সেলিম রওজা শরীফের খুঁটিগুলোর অর্ধেক পর্যন্ত লাল-সাদা মারবেল পাথর দিয়ে মুড়িয়ে দেন। আরেক উসমানী সুলতান আবদুল মাজীদ এর খুঁটিগুলোর সংস্কার ও পুনঃনির্মাণ করেন। ১৯৯৪ সালে সৌদি সরকার পূর্ববর্তী সব বাদশাহর তুলনায় উৎকৃষ্ট পাথর দিয়ে রওজার এই খুঁটিগুলো ঢেকে দেন এবং রওজার মেঝেতে দামী কার্পেট বিছিয়ে দেন।

রিয়াজুল জান্নাতে অবস্থিত খুঁটিগুলো হলো-

১. উসতুওয়ানা আয়েশা বা আয়েশা রা.-এর খুঁটি।
২. উসতুওয়ানাতুল-উফূদ বা প্রতিনিধি দলের খুঁটি।
৩. উসতুওয়ানাতুত্তাওবা বা তওবার খুঁটি।
৪. উসতুওয়ানা মুখাল্লাকাহ বা সুগন্ধি জালানোর খুঁটি।
৫. উসতুওয়ানাতুস-সারীর বা খাটের সাথে লাগোয়া খুঁটি এবং উসতুওয়ানাতুল-হারছ বা মিহরাছ তথা পাহাদারদের খুঁটি।

Manual5 Ad Code

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code