সিলেটWednesday , 9 November 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি
সবখবর

নামাজ পড়ে ফেরার পথে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা

Link Copied!

Manual1 Ad Code

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলায় নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে শাহজাহান আলী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। মঙ্গলবার (৮ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ওইদিন সকালের দিকে ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত হন তিনি। মৃত শাহজাহান কুমারখালী উপজেলার চাঁদপুর ইউনিয়নের গোবরা গ্রামের মৃত ইয়াকুব মিস্ত্রির ছেলে। একই গ্রামের আইচ উদ্দিনের সঙ্গে বালু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আইচ উদ্দিনের সঙ্গে বৃদ্ধ শাহজাহানের বালু কেনাবেচা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিপক্ষের বাড়িতে সালিশ বৈঠক হয়। বৈঠকের পরদিন মঙ্গলবার সকালে শাহজাহান বাজারে যাওয়ার পথে আইচ উদ্দিন, তার ছেলে নয়ন ও হৃদয়সহ কয়েকজন মিলে তাকে বাঁশ ও হাতুড়ি দিয়ে পেটায়। এতে শাহজাহান গুরুতর আহত হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

Manual4 Ad Code

শাহজাহানের ছেলে সজিব বলেন, আমার আব্বার সাথে আইচ উদ্দিনের বিরোধ চলছিল। গত সোমবার সন্ধ্যায় তার বাড়িতে সালিশ বৈঠকে উভয়ের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তি করা হয়। কিন্তু পরিকল্পিতভাবে মঙ্গলবার সকালে বাবার ওপর আইচ উদ্দিন ও তার ছেলেরা লাঠি, হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সে মারা যায়। আমার বাবাকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করেছে।

Manual1 Ad Code

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমারখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহসীন হোসাইন বলেন, একই গ্রামের আইচ উদ্দিনের সঙ্গে শাহজাহানের বালু কেনাবেচা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বৃদ্ধকে লাঠি ও হাতুড়ি দিয়ে মারপিট করে আইচ উদ্দিন ও তার লোকজন। এতে গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। আসামিরা পলাতক রয়েছে। খুব শীঘ্রই হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করা হবে।

Manual7 Ad Code

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code