সিলেটMonday , 28 November 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. ব্রেকিং নিউজ
  13. মতামত
  14. মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু
  15. রাজনীতি

ইংল্যান্ড ফুটবলারদের চাঙ্গা রাখতে কাতারের হোটেলে স্ত্রী-বান্ধবীরা

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক:
বিশ্বকাপ মানেই কঠোর অনুশীলন আর ম্যাচ। অন্য কোনো দিকে মন দেওয়ার বিশেষ সময় থাকে না। আমেরিকার বিরুদ্ধে জিততে না পেরে হতাশ ইংল্যান্ডের ফুটবলাররা। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পর্বে যেতে হলে আগামীকাল মঙ্গলবার ওয়েলসকে হারাতেই হবে। তাই সেই ম্যাচের আগে ফুটবলারদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতে স্ত্রী-বান্ধবীদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ করে দিলেন ইংল্যান্ড কোচ গ্যারেথ সাউথগেট।

এর আগে আমেরিকার বিরুদ্ধে দলের খেলা দেখে ইংল্যান্ডের ফুটবলারদের স্ত্রী-বান্ধবীরা প্রায় ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। কেউ কেউ খেলা না দেখে মোবাইলে ব্যস্ত ছিলেন। পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ফুটবলারদের মনোবল বাড়াতে নেমে পড়লেন তাদের স্ত্রী-বান্ধবীরা।

দলের হোটেলে শনিবার (২৬ নভেম্বর) ফুটবলারদের স্ত্রী, বান্ধবীদের আমন্ত্রণ জানান সাউথগেট। সন্ধ্যায় কোনো অনুশীলন রাখেননি। নিজেদের মতো সময় কাটিয়ে খুশি ফুটবলার এবং তাদের স্ত্রী, বান্ধবীরা। অধিনায়ক হ্যারি কেইনের স্ত্রী কেট, জর্ডান পিকফোর্ডের স্ত্রী মেগান, জ্যাক গ্রিলিশের বান্ধবী অ্যাটউডরা দলবেঁধে এসেছিলেন ইংল্যান্ড দলের হোটেলে। এদিন বিকেলে সাড়ে ৫টা নাগাদ বিশেষ বাসযোগে তাদের নিয়ে আসা হয় হোটেলে। স্বামী, প্রেমিকদের সঙ্গে রাত কাটিয়ে, সকালে তারা আবার ফিরে যান প্রমোদ তরীতে। আর ফুটবলাররা যায় অনুশীলনে।

ইংল্যান্ডের স্ত্রী-সন্তান, বান্ধবী এবং পরিবারের সদস্য মিলিয়ে প্রায় ৫০ জন এসেছেন কাতারে। তাদের অবশ্য দলের হোটেলে থাকার অনুমতি নেই। কোভিড-সহ অন্যান্য সংক্রমণ থেকে ফুটবলারদের বিশ্বকাপের সময় নিরাপদে রাখতেই এই ব্যবস্থা করেছে ইংল্যান্ডের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। ফুটবলারদের সঙ্গে দলের বাইরের কারও দেখা করারও অনুমতি নেই। তা হলে কেন হঠাৎ স্ত্রী, বান্ধবীদের সঙ্গে রাত কাটানোর অনুমতি দেওয়া হলো? এ বিষয়ে সাউথগেট বলেছেন, ‘দলের সবাই খুব হতাশ হয়ে পড়েছিল। আত্মবিশ্বাসেরও ঘাটতি হচ্ছিল কারও কারও। ওদের মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখতেই এই ব্যবস্থা। সারা সপ্তাহের কঠোর পরিশ্রমের পর এটুকু ছাড়া দেওয়া যেতেই পারে।’

এক ফুটবলারের স্ত্রী বলেছেন, ‘হতাশা কখনও জয় আনতে পারে না। শেষ ম্যাচে ভালো পারফর্ম না করতে পেরে সবাই ভেঙে পড়েছিল। আমাদের দারুণভাবে স্বাগত জানিয়েছে দলের সবাই মিলে। দুর্দান্ত একটা অভিজ্ঞতা হলো। আশা করব পরের ম্যাচে আমাদের দল দারুণ খেলা উপহার দেবে।’

এদিকে ইংল্যান্ড কোচও স্বীকার করে নিয়েছেন, শনিবার রাতে হাসি ফুটেছে ফুটবলারদের মুখে। তিনি বলেছেন, ‘আমাদের প্রথম লক্ষ্য গ্রুপের বাধা অতিক্রম করা। দুটো ম্যাচ হয়েছে। আরও একটা বাকি। শেষ ম্যাচে যা যা করণীয়, আমরা সব কিছু করতে প্রস্তুত।’

উল্লেখ্য, দোহার কোনো হোটেলে থাকছেন না ফুটবলারদের স্ত্রী, বান্ধবীরা। তাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছে একটি প্রমোদ তরীতে। যাতে রয়েছে ৬টি সুইমিং পুল, বিভিন্ন রকমের ৩০টি বার।

সূত্র: আনন্দবাজার।