
স্টাফ রিপোর্টার:
আগামী ২মার্চের মধ্যে জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান। রোববার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। আনিছুর রহমান বলেন, আমরা আগেই বলেছি যে, এ বছর শেষে বা আগামী বছর জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় সংসদ অনুষ্ঠিত হবে। তাই এখন থেকে সময়েই সাথে পাল্লা দিয়ে দৌড়াবে নির্বাচন কমিশন। আমরা প্রতিদিনই অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করি। ভোটের প্রশিক্ষণ চলছে, সেটা চলবে।
রোডম্যাপ বাস্তবায়নে ইসি সঠিক পথেই রয়েছে জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা ফেব্রুয়ারির মধ্যেই আইন সংশোধনের কাজ শেষ করতে পারবো। আইনমন্ত্রী বলেছেন, কাজটা প্রায় শেষের পথে, কয়েকদিনের মধ্যেই পাঠিয়ে দেবো।
তিনি বলেন, সীমানা নির্ধারণের কাজটা আশাকরি জুন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করতে পারবো। মে মাসের মধ্যেই যাতে করতে পারি সে চেষ্টা থাকবে। জনশুমারির চূড়ান্ত রিপোর্টের জন্য পরিসংখ্যান ব্যুরোকে চিঠি লিখেছি। তারা যদি ওটা জুনের পরে করে, তাহলে তো সেটা আমলে নেয়া যাবে না।
এক্ষেত্রে বর্তমানে যে অবস্থা আছে সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে সীমানা পুনঃনির্ধারণ করা হবে। খুব বেশি আসনের প্রস্তাব আমরা পাইনি। সেগুলোর ওপর কাজ শুরু করেছি।
ভোটকেন্দ্রের বিষয়ে তিনি বলেন, সীমানা পুনঃর্নির্ধারণ হলে আগস্টের মধ্যে ভোটকেন্দ্র চূড়ান্ত করা হবে। তবে চূড়ান্ত করতে হয়তো নভেম্বর পর্যন্ত লেগে যাবে।
নতুন দলের নিবন্ধনের বিষয়ে তিনি বলেন, নতুন দলের নিবন্ধনের প্রাথমিক কাজ শেষ হয়েছে। অনেক অনেক কাগজ তারা দিয়েছিলেন। সেগুলো বাছাই করা হয়েছে। নতুন দল নিবন্ধন প্রক্রিয়াও জুনের মধ্যে করে ফেলবো বলে আশাকরি।
ইভিএমের নতুন প্রকল্পের বিষয়ে আনিছুর রহমান বলেন, ইভিএমের নতুন প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে আছে। আর সরকার ১৩ জন জনবলের অনুমোদন দিয়েছে। এই জনবল দিয়ে কিন্তু প্রকল্প চালানো যাবে না। অর্থ বিভাগকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার জন্য বলেছি। এখন যাই হোক ইভিএম প্রকল্প দ্রুত পাস হওয়া উচিত। যদি ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্প পাস না হয় এবং তারপরে অনুমোদন হলে আমাদের জন্য খুবই ডিফিকাল্ট হবে। বিএমটিএফ বলেছে এরপর হলে ইভিএম সাপ্লাই দেয়া কঠিন হয়ে যাবে। কেননা, এলসি খুলতে হবে, বিদেশ থেকে মালামাল আসবে। এ ধরণের নানা কর্মযজ্ঞ রয়েছে। তিনি বলেন, ইভিএম নতুন প্রকল্প না হলে হাতে যা আছে তা দিয়ে যতটুকু করা সম্ভব, ততটুকু করবো। বাকি আসনে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করবো।
তিনি আরো বলেন, কর্মকর্তাসহ জনবলের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হবে। পুরো বছরই ভীষন ব্যস্ত থাকতে হবে। রোডম্যাপের সাথেই চলছি, পিছিয়ে নেই।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৮৩১-১৬৯৯৮৫
ই-মেইল: thedailysylhetkantha@gmail.com