সিলেটWednesday , 6 March 2024
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. ব্রেকিং নিউজ
  13. মতামত
  14. মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু
  15. রাজনীতি

উপশহরে মামার হাতে ভাগনা খুন : কী বলছে পুলিশ?

admin
March 6, 2024 3:14 pm
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট মহানগরের শাহজালাল উপশহর এলাকায় মামার হাতে মিজানুর রহমান রাফি (২৪) নামে এক ভাগ্নে খুনের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত সোমবার (৪ মার্চ) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শাহজালাল উপশহরের ই-ব্লকের ২ নম্বর রোডের একটি বাসার দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে মামা আবু সুফিয়ান (৩৮) পলাতক রেয়েছে।

পুলিশ বলছে, জকিগঞ্জের বারহাল ইউনিয়নের বোরহানপুর গ্রামের বদরুদ্দিনের ছেলে আবু সুফিয়ান (৩৮) মহানগরের চালিবন্দর এলাকায় পাইকারি ব্যবসায়ী। তার দোকানের ম্যানেজার হিসেবে করতেন ভাগ্নে রাফি। সম্প্রতি সময়ে ভাগ্নের বিরুদ্ধে দোকানের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে। এর জের ধরেই বেশ কয়েকদিন ধরে মামা-ভাগ্নের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিলো। এ বিষয়ে অবগত রয়েছেন এলাকার অন্যান্য ব্যবসায়ীরা। পুলিশের ধারণা এই টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের কারণে হত্যা করা হয় রাফিকে। মরদেহের পাশে থেকে লোহার পাইপ ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়েছে। রাফির মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান (র:) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, নিহত মিজানুর রহমান রাফির ময়নাতদন্ত শেষ মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে গতকাল। তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনার নিহতের বাবা বাদি হয়ে শাহপরান থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আমরা মামা আবু সুফিয়ানকে খুঁজছি। তাকে পাওয়া গেলে ঘটনার রহস্য বের হয়ে আসবে।

জানা যায়, সোমবার সকালে পরিবারের লোকজন রাফি ও তার মামা আবু সুফিয়ানকে বাসায় রেখে বাইরে যায়। পরে বাসায় ফিরে রুম তালাবদ্ধ দেখেন ও রাফির কোন খোঁজ খবর পাচ্ছিলেন না।। রাতে এক পর্যায়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ও স্থানীয় কাউলিন্সলর ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তালাবদ্ধ রুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের সময় তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।

নিহত রাফি (২৫) সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার হেতিমগঞ্জ বাসিন্দা ছিলেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 1K বার