বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে বিয়ানীবাজারে সংঘটিত ঘটনায় তারেক আহমদ (২৪) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১৫০/২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা একই দলভুক্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিয়ানীবাজার উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মী। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে বিয়ানীবাজার থানা, উপজেলা ও বাজারের আশপাশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ছাত্র-জনতা, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ বিজয় মিছিল ও সমাবেশের জন্য জড়ো হতে থাকেন।
এজাহারে ইমরুন নেছা প্রকাশ ইনারুন বেগম, বাদী অভিযোগ করেন, ওই সময় ১ থেকে ১০ নম্বর আসামিদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান, প্ররোচনা ও উস্কানিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতনামা আসামিরা সংগঠিত হয়ে বিয়ানীবাজার থানা ও উপজেলা চত্বরের মূল পাকা রাস্তা এবং আশপাশের এলাকায় জড়ো হন। তাদের হাতে লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেল, বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র এবং অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহারে ইমরুন নেছা প্রকাশ ইনারুন বেগম, আরও অভিযোগ করা হয়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে ও একই উদ্দেশ্যে বেআইনি জনতায় একত্রিত হয়ে আসামিরা ছাত্র-জনতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। এ সময় বাদীর ছেলে তারেক আহমদের মাথার বাম পাশে ভ্রুর ওপর এবং দুই পায়ে গুলি লাগে। গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আসামিরা তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে দেশীয় ভারী অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন এবং মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে মনে করে তাকে বিয়ানীবাজার থানা বাউন্ডারি দেয়ালের বাইরের পাশের একটি ঝোপের মধ্যে ফেলে রেখে যায় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়।
পরে বাদী ও সাক্ষীরা বিয়ানীবাজারের বিভিন্ন স্থানে, হাসপাতাল এবং সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তারেক আহমদের খোঁজ করেন। তাকে না পেয়ে ৬ আগস্ট রাত আনুমানিক ৩টার দিকে উপজেলা ও থানা চত্বরের আশপাশসহ বিভিন্ন ঝোপঝাড়, ড্রেন ও নালায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তারা।
এজাহার অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ৪টার দিকে বিয়ানীবাজার থানা বাউন্ডারির বাইরের পাশের একটি ঝোপের ভেতর তারেক আহমদকে গুলিবিদ্ধ ও অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সাক্ষীদের সহযোগিতায় তাকে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এজাহারে বাদী ইমরুন নেছা প্রকাশ ইনারুন বেগম, আরও উল্লেখ করেন, ছেলের লাশ দাফন-কাফনের কাজে ব্যস্ততা এবং দেশের সার্বিক পরিস্থিতির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে থানায় এজাহার রেকর্ড করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে পুলিশ কর্মকর্তারা কর্মস্থলে যোগদান করার পর বিলম্বে এজাহার দায়ের করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বাদী ইমরুন নেছা প্রকাশ ইনারুন বেগম মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিয়ানীবাজার থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ২০ আগস্ট ২০২৪ ইং।
এই মামলায় আসামীরা হলেন, ১। আবুল কাসেম পল্লব (৪৫), পিতা- আব্দুল করিম, সাবেক চেয়ারম্যান, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ, ২। আতাউর রহমান খান (৫৫), সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলাপ, ৩। দেওয়ান মকসুদুল ইসলাম আওয়াল (৪৮), সাধারণ সম্পাদক বিয়ানীবাজার উপজেল আওয়ামীলীগ, ৪। এবাদ আহমদ (৪৮), সাধারণ সম্পাদক, বিয়ানীবাজার পৌর আওয়ামীলীগ, ৫। মোঃ আবিদ হাসান শিপু (২২), সদস্য, এলডিপি বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজ শাখা, বিয়ানীবাজার, ৬। আব্দুল বাছিত (খাসারীপাড়া), ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, বিয়ানীবাজার পৌর আওয়ামীলীগ, ৭। সালেহ আহমদ বাবুল (৫৫), সহ-সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৮। ফারুকুল হক (৫০), সাবেক মেয়র, বিয়ানীবাজার পৌরসভা, ৯। খসরুল হক (৫৪), সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য, সিলেট, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ১০। হারুনুর রশীদ দিপু (৫০), যুগ্ম সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ১১। আহমদ হোসেন বাবুল (৫৪), সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ১২। আব্দুশ শুকুর (৫২), সাবেক মেয়র, বিয়ানীবাজার পৌরসভা, ১৩। জামাল হোসেন (৫০), সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান, বিয়ানীবাজার উপজেলা পরিষদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা, ১৪। হুমায়ুন কবির (৫০), সাধারন সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ১৫। মাসুদ হোসেন খান (৪৫), সাংগঠনিক সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ১৬। মাহমুদ আলী (৫৫), সাবেক চেয়ারম্যান চারখাই ইউনিয়ন পরিষদ, সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ১৭। হোসেন মুরাদ চৌধুরী (৪৬), চেয়ারম্যান চারখাই ইউনিয়ন পরিষদ, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি নেতা, (১৮) তারেক হোসেন (২৩), প্রচার সম্পাদক, মাথিউরা ইউনিয়ন এলডিপি বিয়ানীবাজার, ১৯। জহুর উদ্দিন (৫৫), চেয়ারম্যান শেওলা ইউনিয়ন পরিষদ, সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ২০। সুরমান আলী (৫০), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ২১। কনক কান্তি কর (৪৩), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ২২। কামরুল হক (৪৪), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ২৩। সাগর লাল চৌধুরী (৪৬), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ২৪। বেলাল আহমদ (তিলপাড়া) (৪৬), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি ২৫। জয়নুল ইসলাম রফিক (৫০), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ২৬। আব্দুল কাদির (৫০) (লাল বাউরভাগ), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ২৭। হোসেন আহমদ এনু (৪৪), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ২৮। সালেহ আহমদ (আলী নগর) (৪৩), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ২৯। রফিকুল ইসলাম চৌধুরী রনি (চারখাই) (৫০), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩০। আবজল হোসেন পলাশ (৪২), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা এলডিপি, ৩১। লুৎফুর রহমান ফয়ছল (৪৫), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩২। সাইদুর রহমান জায়দুল (৪২), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩৩। আব্দুল মান্নান মিন্টু (৪৫), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩৪। আছার উদ্দিন (৪৫) সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩৫। ফয়ছল আহমদ (চারাবই) (৪২), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩৬। সাদেক আহমদ আজাদ (৪৩), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩৭। পাবেল মাহমুদ (৪২), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩৮। ইকবাল হোসেন তারেক (৪০), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৩৯। কে এইচ সুমন (৪২), সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও সন্ত্রাসী, বিয়ানীবাজার উপজেলা, ৪০। কাওসার আহমদ (ঘুঙ্গাদিয়া) (৩৬), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৪১। সাইদুল ইসলাম (সালেশ্বর) (৩৮), সদস্য, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৪২। মোঃ আলী রাজা (৪৮), পিতা মৃত- ইম্মাদ আলী, সাং- কেশবপুর, জগন্নাথপুর, চাঁদাবাজ ও পল্লবের সহযোগী, ৪৩। রাহেল আহমদ (৪২), সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ৪৪। রিপন পদকর (৩৮), সাধারণ সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ৪৫। আব্দুর রউফ সুমন (৪০), সভাপতি, বিয়ানীবাজার পৌর এলডিপি, ৪৬। সজীব ভট্টাচার্য (৪০), স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও সন্ত্রাসী, বিয়ানীবাজার উপজেলা, ৪৭। মিসবাহ উদ্দিন (২৮), সাবেক সহ-সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ, ৪৮। মহসিন আহমদ রনি (২৯), সাবেক সহ-সভাপতি, বিয়ানীবাজার পৌর এলডিপি, ৪৯। আশীক চক্রবর্তী (৩৩) (দাসগ্রাম) পল্লব গ্রুপের সন্ত্রাস, ৫০। আব্দুল্লাহ (ফতেহপুর) (৪০) বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ সন্ত্রাস, ৫১। মাসুম আহমদ (বাউয়রভাগ) (৪০), এলডিপি নেতা, বিয়ানীবাজার উপজেলা, ৫২। জসিম উদ্দিন (৪৫), আইন সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৫৩। ইসলাম উদ্দিন (তিলপাড়া) (৪৫), কৃষি বিষয়ক সম্পাদক বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৫৪। আতিকুর রহমান (কসবা) (৪৬), তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৫৫। শিহাব উদ্দিন (মাথিউরা) (৪৫), ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৫৬। বেলাল আহমদ (মাথিউরা) (৪৪), দপ্তর সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৫৭। জুবের আহমদ (৪৫), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৫৮। ময়নুল ইসলাম (চারখাই) (৪৫), বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক, বিয়নীয়ায়ার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৫৯। আব্দুল ওয়াদুদ (তিলপাড়া) (৪৫), সাংস্কৃতিক সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৬০। আলমগীর হোসেন রুনু (মাথিউরা) (৪২), স্বাস্থ্য ও জনসেবা সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৬১। জহিরুল হক রাজু (৪০), সহ প্রচার সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৬২। জুয়েল আহমদ শিপু (২৯), সাবেক সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ, ৬৩। জাহিদুল হক তাহমিদ (২৮), সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ, ৬৪। আজাদ জিসান (৩০), সাবেক সহ-সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ, ৬৫। আশরাফুল আলম শাকেল (শ্রীধরা) (২৮), সাবেক সভাপতি, বিয়ানীবাজার পৌর ছাত্রলীগ, ৬৬। শাহাদ আহমদ (চারখাই) (৩৫), পিতা- রহিস উদ্দিন, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা, ৬৭। আব্দুল হামিদ (চারখাই) (৩৪), পিতা- আব্দুল মতিন, বিয়ানীবাজার উপজেলা ছাত্রলীগ, ৬৮। রইছ উদ্দিন (৫০), পিতা- মৃত শামসুল হক, সাং- ভাড়ারিমাটি, ডাক ও থানা- কানাইঘাট, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আতাউর রহমান-এর সহযোগী, ৬৯। রেদওয়ান আহমদ (২৮), সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিয়ানীবাজার পৌর ছাত্রলীগ, ৭০। কামরুল ইসলাম (২৮), সভাপতি, বিয়ানীবাজার কলেজ ছাত্রলীগ, ৭১। রাসেল আহমদ (২৮), সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বিয়ানীবাজার কলেজ ছাত্রলীগ, ৭২। সাদেক আহমদ (মাথিউরা) (২৮), শ্রমিকলীগ নেতা, বিয়ানীবাজার থানা, ৭৩। হারুন হেলাল চৌধুরী (৫৫), সহ-সভাপতি, বিয়ানীবাজার উপজেলা আওয়ামীলীগ, ৭৪। আমান উদ্দিন (৪৫), চেয়ারম্যান, ৭নং মাথিউরা ইউনিয়ন পরিষদ, ৭৫। মিজানুল আলম সুমেল (২৮), এলডিপি নেতা, বিয়ানীবাজার উপজেলা, সর্ব থানা বিয়ানীবাজার, জেলা- সিলেট গং অজ্ঞাতনামা আরও ১৫০/২০০ জন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৮৩১-১৬৯৯৮৫
ই-মেইল: thedailysylhetkantha@gmail.com