নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজারের ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামে সন্ত্রাসীদের হামলায় কামাল হোসেন নামে একজন মারাত্মক আহত হয়েছেন। ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের মৃত আব্দুস সুবহানের পুত্র আহত কামাল হোসেন (৬৮)।
সূত্রে জানাযায়, গত ২২ অক্টোবর রাত ৯ টায় স্থানীয় সন্ত্রাসী মাসুম মিয়া ৭-৮ জন সহযোগী নিয়ে কামাল হোসেনের বাড়ীতে হামলা চালায়। আক্রমনের সময় মাসুম মিয়া ও অন্যান্য সন্ত্রাসীরা ছুরি ও লাঠিসোটা বহন করছিল বলে জানিয়েছেন কামাল হোসেনের স্ত্রী করিমা খাতুন। মাসুম মিয়ার লাঠির আঘাতে কামাল হোসেনের মাথা ফেটে যায় ও বাম হাত ভেঙ্গে যায়। এই সময় চিৎকারে শুনে প্রতিবেশিরা এগিয়ে আসলে মাসুম মিয়া ও তার সহযোগীরা কামাল হোসেন এর বসতবাড়ী থেকে বের হয়ে চলে যায়। এরপরে আহত কামাল হোসেনকে উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরোও জানা যায়, কামাল হোসেনের ছেলে মোঃ মোয়াজ্জিম হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী জব্বার আলী ও তার দলীয় সহযোগীদের সাথে পূর্ব শক্রতা ছিল। জব্বার আলীর সহযোগী মাসুম মিয়া চিহ্নিত কিশোর গ্যাংদের নিয়ে ঐ রাতে মোয়াজ্জিম হোসেনকে খুজতে যায়। মোয়াজ্জিম হোসেনের বাবা তাদের জানায় যে তার পুত্র বাড়ীতে নেই। সে বিদেশে আছে। ছেলেকে না পেয়ে মোয়াজ্জিমের বাবাকে এলোপাথারী মারধর করে মাসুম মিয়া ও তার সহযোগীরা। মাসুম মিয়ার লাঠির আঘাতে কামাল হোসেনের মাথায় মারাত্মক জখম হয় বলে জানা গেছে।
গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জব্বার আলী ও তার দলীয় সহযোগীরা গা ঢাকা দেয়। কিছুদিন আগে জব্বার আলীর সহযোগী মাসুম মিয়া এলাকায় ফিরে আসে। এর পর থেকে তাকে স্থানীয় জাতীয়তাবাদী দলের (বি এন পি) নেতাদের সাথে এলাকায় চলাফেরা করতে দেখা যায়।
সূত্রে জানাযায় , জব্বার আলীর সহযোগী মাসুম মিয়া বিগত সরকারের আমলের মতোই বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে আগের মত জড়িত হয়ে পরেছে।
এই সন্ত্রাসী হামলার বিষয়ে বিয়ানীবাজার থানায় যোগাযোগ করা হলে এই প্রতিবেদকের কাছে পুলিশ কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

