সিলেটবুধবার , ২ জুলাই ২০২৫
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি

সুরমায় রাতভর জ্বীনপরীর লীলাখেলা

admin
জুলাই ২, ২০২৫ ১:২৮ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:

সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সুনামগঞ্জে সুরমা নদীতে ভেসে আসে জাদু মেশিনের উদ্ভট শব্দ। অন্ধকারে আলো জ্বালিয়ে বড় বড় জাহাজ ভর্তি হয় বালুপাথরে। নদীর একাধিক স্থানে রাতভর কর্মযজ্ঞকে স্থানীয়রা ডাকেন জ্বীনপরীর লীলখেলা বলে।

ইজারাকৃত ধোপাজান চলতি নদী থেকে লুট হওয়া পাথর সড়ক পথে পাচার হওয়ার দৃশ্য সাধারণের চোখে অবলীলায় ধরা পড়লেও মানবরূপী জ্বীনপরীদের অপরাধযজ্ঞ ধরা পড়ছেনা সংশ্লিষ্টআইনশৃংখলাবাহিনীর চোখে। এদিকে লুটকৃত বালুপাথর রাতের আঁধারে সড়ক পথে পরিবহন করে নদীপথ দিয়ে পাচার করে রাতারাতি কালোটাকার মালিক বনে যাচ্ছেন একটি চক্র।

 

 

এলাকাবাসী জানান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধোপাজান চলতি নদী পথে বন্ধ হয় বালুলুট। তবে সম্প্রতি সড়ক পথ দিয়ে ফের বালু পাথরে লুটে সক্রিয় হয়ে পড়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যার নেপথ্যে রয়েছে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অদৃশ্য হাত। প্রভাবশালী এই চক্রের ভয়ে মুখ ভয় পান স্থানীয়রা। ইজারবিহীন বালু মহাল থেকে এভাবে অবৈধ পন্থায় বালু লুট বন্ধে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন নাগরিকরা।

এলাকাবাসী জানান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ধোপাজান চলতি নদী পথে বন্ধ হয় বালুলুট। তবে সম্প্রতি সড়ক পথ দিয়ে ফের বালু পাথরে লুটে সক্রিয় হয়ে পড়েছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট। যার নেপথ্যে রয়েছে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের অদৃশ্য হাত। প্রভাবশালী এই চক্রের ভয়ে মুখ ভয় পান স্থানীয়রা। ইজারবিহীন বালু মহাল থেকে এভাবে অবৈধ পন্থায় বালু লুট বন্ধে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন নাগরিকরা।

সোমবার ও মঙ্গলবার রাতে সরেজমিনে সদর উপজেলার সুরমা নদীতে অবস্থান করে দেখা যায়, ডলুরা সীমান্ত থেকে অসংখ্য ছোট বড় ট্রাকে করে নিয়ে আসা হচ্ছে বালু। মাঝে মধ্যে কিছু কিছু ট্রাকে পাথর পরিবহণ করতে দেখা যায়।

এসব বালু হালুয়ারঘাট ও মইনপুর এলাকায় নিয়ে এসে  বাইব্রেটার মেশিনের সাহায্যে একাধিক বাল্কহেড(স্টীলবডি) বোজাই করা হয়। স্থানীয়ারা জানান বালু লুটের এই কর্মযজ্ঞ চলে ভোররাত পর্যন্ত।

 

নিয়াকত আলী নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, কয়েকদিন ধরে রাত হলেই সড়কে অসংখ্য ট্রাক চলাচল করে। ট্রাকের শব্দে রাত ঘুমানো যায় না। এসব ট্রাকে করে বালু পাথর নিয়ে আসা হয়। কারা বালু পাথর নিয়ে আসছেন এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এসব ওপেন বলা যাবে না। অনেক বড় বড় লোক এই বালুর ব্যবসার সাথে রয়েছেন। আমাদের এতো সাহস নেই এনিয়ে  কথা বলার।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ট্রাক শ্রমিক বলেন, আমরা কামলা মানুষ। টাকা দিয়ে বালু আনি। বালু আইন্ন নদীর তীরে রাখি । এই বালু তারা নৌকায় ভরে। কারা বালু আনছেন এমন প্রশ্ন করলে ট্রাক চালিয়ে সরে যান ওই শ্রমিক।

 

 

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( মিডিয়া) জাকির হোসেন বলেন,বালুপাথরের বিষয়গুলো জেলা প্রশাসনের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। তারপরও সড়ক পথে আমাদের চেকপোস্ট রয়েছে। যদি সেগুলো অবৈধ হয় তাহলে পুলিশ সেগুলো আটকাবে। এ বিষয়ে জেলাপ্রশাসন ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।

 

 

এবিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিমে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও কল রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি তবে বালুপাথর লুট বন্ধে প্রশাসন সর্বদা তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা জেরিন।