স্টাফ রিপোর্টার:
তারা ২৮ জন মিলে ঘুরতে গিয়েছিলেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি গোয়াইনঘাটের জাফলংয়ে। তাদের মধ্যে একজন তলিয়ে গিয়েছেন জিরো পয়েন্টে, পিয়াইনের জলে। তারপর থেকেই নিখোঁজ তিনি। ইতিমধ্যে পেরিয়ে গিয়েছে প্রায় দুইদিন!
শনিবার (২৬ জুলাই) গোয়াইনঘাটে খোঁজ-খবর নিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।
এর আগে শুক্রবার সিলেট মহানগরী থেকে ২৮ জনের একটি পর্যটকদল প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে ছুটে গিয়েছিলেন জাফলং। সেখানে ঘোরাঘুরি আমোদ-ফুর্তির একপর্যায়ে পিয়াইনের স্বচ্ছ জলে গোসল করতে নেমেছিলেন তিনজন।
তাদের মধ্যে দু’জন দ্রুত উঠে আসতে পারলেও হঠাৎ স্রোতের তোড়ে ভেসে যান সিলেট মহানগরীর মাছিমপুর এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল মুকিত (১৮)। পেশায় দিনমজুর মুকিতের গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার রায়নগর গ্রামে। তার পিতার নাম মো. শামসুদ্দিন।
মুকিতের সঙ্গে পিয়াইনের জলে নেমেছিলেন শাওন ও তাদের অপর এক সঙ্গী। দু’জন উঠে আসতে পারলেও মুকিত আর ফিরতে পারেন নি।
বিষয়টি জানার পর থানাপুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় ডুবুরীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েছেন। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মুকিতকে না পেয়ে অভিযান স্থগিত করা হয়।
এরপর আবার অভিযান শুরু হয় শনিবার ভোর থেকে। রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত উদ্ধার তৎপরতায়ও কোনো সুফল মিলেনি বলে জানিয়েছেন জাফলং ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মো. শাহাদাত হোসেন।
এদিকে ট্যুরিস্ট পুলিশের এসআই দেবরাম ফায়ার সার্ভিসের বরাত দিয়ে জানান, নদী পানিতে ভরা। প্রবল স্রোতের কারণে অনুসন্ধান তৎপরতা ব্যাহত হয়েছে বারবার। তবু তারা চেষ্টা করেছেন।
স্থানীয়র জানিয়েছেন, সাধারণত পিয়াইনে নিখোঁজ ব্যাক্তিদের লাশ দুই/আড়াই দিন পর কোথাও না কোথাও ভেসে উঠে। সেই হিসাবে তাদের ধারনা, রবিবার দিনের কোনো এক সময় মুকিতের লাশটি ভেসে উঠতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৮৩১-১৬৯৯৮৫
ই-মেইল: thedailysylhetkantha@gmail.com