স্টাফ রিপোর্টার:
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে মনোনয়পত্র যাচাইবাছাই কালে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদের যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব থাকা না থাকা নিয়ে পাল্টাপাল্টি যুক্তিতর্কে জড়ান প্রতিদ্বন্দ্বী তিনজন প্রার্থী ও রিটার্নিং কর্তকর্তা।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে প্রার্থীদের জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই ঘটনা ঘটে।
জবাবে কয়ছর বলেন, আমি যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব নেইনি। নাগরিকত্ব নিলেই তো সেটি পরিত্যাগ করার প্রশ্ন ওঠে।
ডিসি তখন অভিযোগকারীদেরর উদ্দেশ্যে বলেন, উনি (কয়ছর) বলছেন ‘না’ আর আপনারা বলছেন প্রমাণ আছে। আমরা উনার ‘না’-টাকেই গ্রহণ করছি। আপনাদের যদি এই সিদ্ধান্তে আপত্তি থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনে আপনাদের আপিল করার সুযোগ রয়েছ। কাউন্টার এফিডেভিট করে আপনারা আমার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যেত পারেন।
তখন স্বতন্ত্র প্রার্থী আনোয়ার ও জামায়াতের প্রার্থী ইয়াসিন খান বলেন, তাহলে আমাদেরকে কোনো অভিযোগ রয়েছ কি না, এটা কেন জানতে চাইলেন?
জবাব ডিসি বলেন, জনগণ জানবে প্রার্থীদের ব্যাপারে কী কী আপত্তি আছে। জনগণ বিচার করবে। আপনাদের যদি মনে হয় আমার সিদ্ধান্ত ভুল তবে আপনারা লিগ্যাল একশন নেবেন। কমিশনে আপলি করবেন।
আনোয়ার তখন ডিসির কাছ পাল্টা জানতে চান, আপনি প্রাথমিক ভাবে কোনাও সিদ্ধান্ত নেবেন কী না?
জবাবে ডিসি বলেন, বলা হয়েছ দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে হলফনামায় প্রার্থী ঘোষণা দেবেন। কিন্তু ঘোষণায় তিনি উল্লেখ করছেন যে, তিনি অন্য কোনো দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন নি। আমরা সেটিকেই সঠিক ধরে নিয়ে তার প্রার্থীতা বৈধ ঘোষণা করছি।
যাচাই শেষে জামায়াতের প্রার্থী ইয়াসিন খান বলেন, আমরা আপত্তি তুলেছিলাম। রিটানিং কর্মকর্তা বলেছেন আপিল করতে পারেন। পরে সিদ্ধান্ত নেব আমরা আইনিভাবে কী পদক্ষেপ নেব।
অভিযাগের ব্যাপারে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ কয়ছর আহমদ বলেন, এই ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই। একজন প্রার্থী কী বলল, কী চাইল সেটা কর্তৃপক্ষ যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৮৩১-১৬৯৯৮৫
ই-মেইল: thedailysylhetkantha@gmail.com