সিলেটমঙ্গলবার , ৬ জানুয়ারি ২০২৬
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি
সবখবর

ওসমান হাদি হত্যায় আসামিদের কার কী ভূমিকা, অভিযোগপত্রে যা বলল ডিবি

admin
জানুয়ারি ৬, ২০২৬ ১১:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষে যে ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে কার কী ভূমিকা, তা জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্ত ও সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার আসামিদের জবানবন্দি, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাক্ষীদের জবানবন্দি, ঘটনাস্থল ও প্রাসঙ্গিক সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ, উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র, বুলেট ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর ফরেনসিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা হয়েছে। এসব তথ্য–উপাত্তের ভিত্তিতে শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তবে হত্যার নির্দেশদাতা ও সরাসরি জড়িত দুজনসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।ডিবি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, আসামিদের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী)। ওসমান হাদিকে সরাসরি গুলি করেন ফয়সাল করিম এবং তাঁকে সহযোগিতা করেন আলমগীর হোসেন। এই তিনজনই ভারতে পালিয়ে গেছেন। ফয়সাল করিমের ভগ্নিপতি মুক্তি মাহমুদ (৫১) তাঁদের বাসায় ফয়সাল ও আলমগীরকে আশ্রয় দেন এবং অস্ত্র সংরক্ষণ করেন। ফয়সালসহ অন্য আসামিদের সীমান্ত পারাপারে সাহায্য করার কাজে সরাসরি যুক্ত ছিলেন ফিলিপ স্নাল (৩২)।

গ্রেপ্তার ১২ জনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল (৩৪), সিবিয়ন দিও (৩২) ও সঞ্জয় চিসিম (২৩) হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ফয়সাল করিম ও আলমগীরকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন। ফয়সাল করিমের বাবা মো. হুমায়ুন কবির (৭০) হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট পরিবর্তন, অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণ ও নরসিংদীতে অস্ত্র স্থানান্তরের কাজে জড়িত ছিলেন। ফয়সাল করিমের মা হাসি বেগমের (৬০) বিষয়ে বলা হয়েছে, তিনি ফয়সাল ও আলমগীরকে আশ্রয় দিয়েছেন এবং অস্ত্র রক্ষণাবেক্ষণের কাজে যুক্ত ছিলেন। ফয়সালের বোন জেসমিন আক্তারের (৪২) বিষয়ে বলা হয়েছে, তিনি ফয়সালকে বাসায় আশ্রয় দেন এবং অস্ত্র সংরক্ষণ করে হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করেন।