স্টাফ রিপোর্টার:
ক্রয়াদেশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৬ আসনে বিএনপির প্রাথমিক দলীয় মনোনয়ন নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও জেলা বিএনপির সদস্য ফয়সল আহমদ চৌধুরী। এই দুই চৌধুরী দলীয় প্রাথমিক মনোনয়ন নিয়ে ছুটে চলেছেন গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত। নেতাকর্মীদের সাথে বৈঠক করার পাশাপাশি তারা যাচ্ছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। বর্তমানে বিএনপির এই দুই নেতার সাথে আছে বিশাল কর্মী ও সমর্থক বাহিনী।বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর পৃথকভাবে অংশ নিচ্ছেন দোয়া মাহফিলে। বর্তমানে ভোটের মাঠে এই দুই নেতার রয়েছে সরব উপস্থিতি। সিলেটে সফরে এসে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ বিষয়ে পরিস্কার করেন নি। ফলে ধোঁয়াশায় রয়েছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। শেষ পর্যন্ত কে পাচ্ছেন- বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন নিয়ে আলোচনার কেন শেষ নেই।জানা যায়, তেল খনিজ সম্পদ আর প্রবাসী অধ্যুসিত গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলা নিয়ে সিলেট- ৬ আসন গঠিত। এই আসনে প্রথম বিএনপির দলীয় মনেনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন ৬জন। শেষ পর্যন্ত জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরীকে দেওয়া হয় দলের প্রাথমিক মনোনয়নপত্র। এরপর দেওয়া হয় জেলা বিএনপির সদস্য ফয়সল আহমদ চৌধুরীে। দুইজনই নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিল করলেও এমরান আহমদ চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হলেও স্থগিত রাখা হয় ফয়সল আহমদ চৌধুরীর মনোনয়ন। কাগজে ক্রটি থাকায় এই মনোনয়ন স্থগিতের একদিন পর তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।বর্তমানে দলের প্রাথমিক মনোনয়ন নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। এমরান আহমদ চৌধুরীর সাথে বিএনপির একটি অংশ থাকলেও অপর আর একটি অংশ রয়েছে ফয়সল আহমদ চৌধুরীর সাথে। বর্তমানে গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার উপজেলায় তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে চষে বেড়াচ্ছেন। তারা পৃথকভাবে যোগ দিচ্ছেন বিভিন্ন অনুষ্ঠানে।মাঠে বিএনপির এই দুই প্রার্থী সরব থাকলেও শেষ পর্যন্তকে পাবেন দলের চুড়ান্ত মনোনয়ন? এমন প্রশ্ন মুখে মুখে দলীয় নেতাকর্মীদের।

