স্টাফ রিপোর্টার:
এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচেন এবার কড়া নাড়ছে দুয়ারে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা ভোট টানতে চালিয়ে যাচ্ছেন নানা কৌশল। একই সাথে ভোটারদের দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি। তবে এবার ভোটের লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ না থাকায় মূল নির্বাচনি লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে। নির্বাচনের সময়ে যত ঘনিয়ে আসছে ততই সিলেটে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। ১৭ বছর পর একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের দিকে অগ্রসর সিলেট বিভাগের ১৯টি আসন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে মর্যাদার সিলেট-১ আসন থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেছে বিএনপি। সেই সাথে অন্যাঅন্য রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা চষে বেড়াচ্ছেন গ্রাম থেকে শহর। সভা-সমাবেশ, ওঠান বৈঠকের পাশাপাশি ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে দোয়া ও ভোট চাচ্ছেন তারা। এবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রচারের জন্য মোট ২০ দিন সময় নির্ধারণ করেছে। প্রার্থীরা আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত তাদের প্রচার চালাতে পারবেন প্রার্থীরা। তবে এবারের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে ইসি অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
দলীয় সূত্র জানায়, সিলেটের আলীয় মাদরাসা মাঠে জনসভা শেষ হওয়ার পর পরই প্রার্থীরা তাদের সমর্থকদের নিয়ে যার যার আসনে ফিরে গেছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল থেকেই তারা প্রচারণা শুরু করেছেন। একই সাথে দলীয় দিক নির্দেশনাও মেনে তারা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এদিকে বৃহস্পতিবার সিলেট-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা হাবীবুর রহমান নগরীর সোবহানীঘাট এলাকায় তার নির্বাচনি প্রধান কার্যালয় খোলে বসেছেন। সেই সাথে নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতের অধিকাংশ নেতা সিলেটে ফিরেছেন। সিলেটের ছয়টি আসনে এবার বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দলের হাইকমান্ড দায়িত্ব দিয়েছে জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচার শুরু করে বিএনপি। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসময় তিনি বলেন, কেউ কেউ বলে, অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবার একে দেখেন। প্রিয় ভাইবোনেরা, ১৯৭১ সালে যে যুদ্ধ, যে যুদ্ধে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি, সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাঁদের ভূমিকার জন্য এই দেশের লক্ষ লক্ষ ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন। এই দেশের লক্ষ লক্ষ মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তাঁদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে।
ধর্মীয় ইস্যুতে জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, কাবার মালিক আল্লাহ। আরে ভাই, যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কী অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না। তাহলে কী দাঁড়াল? নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দেবো, ওই দেবো বলছে, টিকিট দেব, বলছে না? যেটার মালিক মানুষ নয়, সেটার কথা যদি সে বলে, তাহলে সেটা শিরক করা হচ্ছে না? যেটার মালিক আল্লাহ একমাত্র।
সবকিছুর ওপরে আল্লাহর অধিকার। কাজেই আগেই তো আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পর কেমন ঠকানো ঠকাবে, আপনারা বোঝেন এবার। আলিয়া মাদরাসা মাঠে জনসভা শেষে ঢাকা ফেরার পথে তারেক রহমান আরও বেশ কয়েকটি জনসভা ও পথসভায় অংশ নেন। এসব জনসভায় তারেক রহমানকে কাছে পেয়ে উজ্জিবিত হন বিএনপি কর্মী-সমর্থকরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৮৩১-১৬৯৯৮৫
ই-মেইল: thedailysylhetkantha@gmail.com