সিলেটশনিবার , ১ আগস্ট ২০২৬
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি

দেশ আবার অন্ধকারে প্রবেশ করুক এটা আমরা চাই না: শফিকুর রহমান

admin
আগস্ট ১, ২০২৬ ৭:২৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বর্তমান সরকার দেশ থেকে দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে। সাবেক স্পিকারও বলেছেন, চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে জাতির সামনে অদূর ভবিষ্যতে বড় সংকট দেখা দেবে। দেশ আবার চোরাবালিতে হারিয়ে যাক বা অন্ধকার গলিতে প্রবেশ করুক এটা আমরা চাই না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর ও বিরোধী দলীয় নেতা আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (১ আগস্ট) দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার ৩৪ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই কথা বলেন।

বিরোধী দলীয় নেতা আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন কবে দেবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তবে সরকার কিছু প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। একজন প্রকাশ্য দলীয় ব্যক্তি, যিনি পাঁচ থেকে সাত বছর আগে থেকেই রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় ছিলেন, তাকে নির্বাচন কমিশনে পদায়ন করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘অতীতের নির্বাচনগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এই বিষয়গুলোকে উদ্বেগজনক সংকেত হিসেবে দেখছি। আবার যদি স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এ ধরনের কোনো পাঁয়তারা করা হয়, তাহলে সরকারের স্বদিচ্ছা নিয়েই জাতির মধ্যে প্রশ্ন ও উদ্বেগ সৃষ্টি হবে। এ ধরনের কোনো নির্বাচন জনগণ মেনে নেবে না, আমরাও মেনে নেব না। তবে সরকার যদি আমাদের সঙ্গে আলোচনা করে বা ঐকমত্যের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়, সেটি ভিন্ন বিষয়।’

দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি দলের প্রধানই সরকারের প্রধান। দলকে নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব যেমন তার, তেমনি দেশ পরিচালনার দায়িত্বও তার। প্রধানমন্ত্রী শুধু একটি দলের ভোটারদের নন, যারা অন্য দলকে ভোট দিয়েছেন কিংবা ভোট দেননি, তাদেরও প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী পুরো দেশের। তাই তাকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

গণভোট নিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের আগে সবাই একসময় গণভোটের পক্ষে কথা বলেছিলেন। নির্বাচন পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করে তারা অবস্থান পরিবর্তন করলেন কেন? দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর তারা ভাবলেন, এখন যা ইচ্ছা তাই করা যাবে। জনগণের মতামত বা ঐকমত্যের আর প্রয়োজন নেই। কিন্তু জনগণের রায়কে সম্মান না করলে কী পরিণতি হয়, তার ইতিহাস এই দেশেও আছে, বিশ্বের ইতিহাসেও আছে। সেই পরিণতি কখনোই ভালো হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের অবস্থান থেকে সরে আসিনি। আমরা বিশ্বাস করি, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের রায় বাস্তবায়িত হলে সমাজে একটি আমূল পরিবর্তন আসবে, যে পরিবর্তনের প্রত্যাশায় দেশের মানুষ আজও অপেক্ষা করছে।’