স্টাফ রিপোর্টার:
বহুল আলোচিত, বিতর্কিত ও অনিয়ম-দূর্নীতির হোতা বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মনিরুল হক খানকে অবশেষে বদলী করা হয়েছে। তার দায়িত্বকালে চিকিৎসা অবহেলায় বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অন্তত: ৬ জন রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। সর্বশেষ গত ৩০ সেপ্টেম্বর চিকিৎসা অবেহলায় ৭ মাস বয়সী এক শিশু মাহমুদুল হাসান মারা যায়। এ ঘটনায় সর্বত্র বেশ সমালোচনা শুরু হলে তাকে বদলী করে স্বাস্থ্য প্রশাসন।
জানা যায়, গত ২০২৩ সালের ১লা জানুয়ারী বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসাবে ডা. মনিরুল হক খান যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে তার বিরুদ্ধে সাধারণ নিরীহ রোগীদের হয়রানি, ক্ষমতার অপব্যবহার, কর্মচারীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, টেন্ডার কমিশন বাণিজ্য, খাবার সরবরাহকারীর কাছ থেকে মাসোহারা আদায়, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ভাতা উত্তোলন করে আত্মসাৎ, রোগীর টিকিট বিক্রির টাকা নয় ছয়, আনুতোষিক ভাতায় অনিয়মসহ ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসাবে ডা. মনিরুল হক খানের উদাসীনতার কারনে বিয়ানীবাজার চিকিৎসক শূণ্য হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন এই হাসপাতালটি একজন মাত্র চিকিৎসক দিয়ে পরিচালিত হয়। ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলো প্রায় অচল হয়ে পড়ে। হাসপাতালের উন্নয়নে একাধিক বরাদ্ধ আসলেও সকল কাজ থেকেই কমিশন নিতেন তিনি। এতসব অভিযোগের পরও এ দুর্নীতিবাজ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বহাল তবিয়তে থাকায় মানুষের মনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়।
এসব বিষয়ে বিদায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মনিরুল হক খান জানান, তিনি বর্তমানে সিলেট নগরীর ডা: শহীদ সামসুদ্দিন হাসপাতালে কর্মরত। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ মিথ্যা। কোন অনিয়ম-দূর্র্নীতির সাথেও জড়িত নয় বলে মন্তব্য করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: আব্দুল খালিক
আইন-উপদেষ্টা: ব্যারিস্টার ফয়সাল দস্তগীর, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
প্রকাশক কর্তৃক উত্তরা অফসেট প্রিন্টার্স কলেজ রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট থেকে মুদ্রিত ও শরীফা বিবি হাউজ, মেওয়া থেকে প্রকাশিত।
বানিজ্যিক কার্যালয় :
উত্তর বাজার মেইন রোড, বিয়ানীবাজার, সিলেট।
মোবাইল: ০১৮১৯-৫৬৪৮৮১, ০১৮৩১-১৬৯৯৮৫
ই-মেইল: thedailysylhetkantha@gmail.com