সিলেটরবিবার , ১৫ অক্টোবর ২০২৩
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি

সিলেটে জোড়া খুনের ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

admin
অক্টোবর ১৫, ২০২৩ ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটে ২০১৬ সালের জোড়া খুনের ঘটনায় ৩ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে আরও দুজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

রবিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক নূরে আলম ভুঁইয়া এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামিদের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মোগলাবাজার ইউনিয়নের নয়াগাও চারমাইল মানিক মিয়ার ছেলে ও মহানগরের সুবিদবাজার বনকলাপাড়া এলাকার বাসিন্দা শিপন আহমদ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ কসবা এলাকার মৃত শমসির মিয়ার ছেলে ও মহানগরের বাগবাড়ি নরশিংটিলা এলাকার বাসিন্দা দুলাল মিয়া এবং গোয়াবাড়ি এলাকার ভোলা মিয়ার ছেলে ও মহানগরের কাজলশাহ রমিজ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া উজ্জ্বল।

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত দুজন হলেন- সিলেট মহানগরের কানিশাইল এলাকার মাসুক মিয়ার ছেলে ও কাজিরবাজার এলাকার বাসিন্দা নজরুল এবং গোলাপগঞ্জের পূর্ব ফুলসাইন্দ বারজানটিলার শফিক উদ্দিনের ছেলে শাকিল আহমেদ।

আদালত সূত্রে জানা গেছে- ২০১৬ সালের ৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় সিলেট মহানগরের খাদিমনগর বিসিক শিল্পনগরী এলাকার বনফুলের ফ্যাক্টরি থেকে বাসায় ফেরার পথে রাজু আহমদ (১৯), এস এম তাপু মিয়া (৩৫) ও রাসেল আহমদকে (২৩) আসামিরা ছুরিকাঘাত করে ফেলে যান। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাজু ও তাপুকে মৃত ঘোষণা করেন।

পরে এ ঘটনায় রাজুর বড় ভাই চাঁদপুর হাজিগঞ্জের হারুনুর রশিদের ছেলে মাসুদ পারভেজ বাদি হয়ে সিলেট শাহপরাণ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে রবিবার রায় ঘোষণা করা হয়।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহানগর আদালতের অ্যাডিশনাল পিপি অ্যাডভোকেট জুবায়ের বখত।