সিলেটবুধবার , ১৯ জুন ২০২৪
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি
সবখবর

সিলেটে আরও ভূমিধসের শঙ্কা

admin
জুন ১৯, ২০২৪ ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার: ভারী বৃষ্টিতে সিলেট বিভাগে আরও ভূমি ধসের শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বুধবার (১৯ জুন) আবহাওয়া অফিসের এক সতর্কবাণীতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

 

এতে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে আজ ১৯ জুন সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। আর এতে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কোথাও ভূমিধসের শঙ্কা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১০ জুন সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সিলেট মহানগরের ৩৫ নং ওয়ার্ডের মেজরটিলার চামেলীভাগ আবাসিক এলাকায় টিলা ধসে ২ নং রোডের ৮৯ নং বাড়িতে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। যৌথভাবে তৎপরতা চালিয়ে দুপুর ১টার দিকে ৩ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ। দুর্ঘটনায় ঘরের নিচে চাপা পড়েছিলেন চার পরিবারের মোট ১১ জন। এর মধ্যে ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

নিহতরা ছিলেন- চামেলীভাগ আবাসিক এলাকার ২ নং রোডের ৮৯ নং বাসার মৃত রফিক উদ্দিনের ছেলে আগা করিম উদ্দিন (৩১), করিমের স্ত্রী শাম্মী আক্তার রুজি (২৫) ও তাদের ছেলে নাফিজ তানিম (২)।

ঘটনার আগের রাতে ভারী বৃষ্টির কারণে মাটি গলে ওই দিন সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিকট শব্দে টিলাটি ধসে সবাই ঘুমে থাকা অবস্থায় করিম উদ্দিনদের ঘরের উপর এসে পড়লে ঘর ও মাটির নিচে চাপা পড়েন মোট ১১ জন। এর মধ্যে করিমের বড় ভাই আগা রহিম উদ্দিন, তাদের মা, রহিমের স্ত্রী ও সন্তান, করিমের স্ত্রী-সন্তান এবং তার ৪ চাচা মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে আগা মাহমুদ উদ্দিন, আগা বাবুল উদ্দিন, আগা বাচ্চু উদ্দিন ও আগা শফিক উদ্দিন। এদের মধ্যে করিম ও তার স্ত্রী-সন্তান ছাড়া বাকি ৬ জনকে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও স্থানীয় জনতা ঘটনার দুই ঘণ্টার মধ্যে উদ্ধার করেন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে অকুস্থলে ছুটে এসে শাহপরাণ থানাপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সিলেটের দুটি স্টেশনের ৩টি টিম, সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কর্মী ও স্থানীয় জনতা উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেন। ঘণ্টাখানেকের প্রচেষ্টায় করিম ও তার স্ত্রী-সন্তান ছাড়া ৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে কয়েকজন আহত ছিলেন।

 

এদিকে, সরু গলির কারছে দুর্ঘটনা কবলিত ঘরের কাছে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি ও সিসিকের মাটি কাটার যন্ত্র (এক্সভেটর) যেতে না পারায় এবং বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজে দেরি হতে থাকে। একপর্যায়ে বেলা পৌনে ১২টার দিকে সেনাবাহিনীর ৩টি টিম উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণ করে এবং ঘরের পেছন দিকের একটি দেওয়াল ভেঙে একটি এক্সভেটর চাপা পড়া ঘরের কাছাকাছি নিয়ে মাটি সরানো হয়। দুপুর ১টার দিকে উদ্ধার করা হয় করিম, শাম্মী ও তানিমের নিথর দেহ। এসময় সেনাবাহিনীর টিমের চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে রাত ৯টায় চামেলীবাগ জামে মসজিদে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে লাশগুলোর দাফন করা হয়।