স্টাফ রিপোর্টার:
অবশেষে গ্রেপ্তার হয়েছেন সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ আলফু চেয়ারম্যান।
শনিবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৫টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ সদর থানা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে থানাপুলিশ।
আব্দুল ওয়াদুদ আলফু চেয়ারম্যান নানা কারণে সিলেটে এক আলোচিত সমালোচিত চরিত্র।
দেশ তোলপাড় করা সাম্প্রতিক পাথর লুটকাÐে অন্যতম প্রধান হোতা এই আলফু চেয়ারম্যান। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদনেও তার নাম আছে। গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও আলফু ছিলেন বহাল তবিয়তে। ৩নং তেলিখাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসাবে তিনি তার প্রভাব প্রতিপত্তি ধরে রেখেছিলেন।
এমনকি নিজের আত্মীয়-স্বজনদের মাধ্যমে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী পাথরখেকো বিএনপি নেতার সঙ্গে আঁতাত করে বালু-পাথর লুন্টনের মহোৎসব চালিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগেও এই বাণিজ্য চালিয়েছেন একচেটিয়াভাবে। ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে তার বিরোধী অন্তত দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালে কোম্পানীগঞ্জে আব্দুল আলী হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এ মামলায় তিনি কারাগারেও ছিলেন কয়েক মাস। ওই বছরেই দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দিতে জোড়া খুনের ঘটনায় তাকে দায়ী করা হয়। এলাকার লোকজনের অভিযোগ, আলফুর লোকজনের হাতেই খুন হয়েছিলেন সিলেট সদর শ্রমিক লীগের সহসভাপতি মাসুক মিয়া ও যুবলীগ কর্মী বাবুল মিয়া।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) রতন শেখ জানিয়েছেন, আলফুর বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজির অভিযোগসহ অন্তত ১৭টি মামরা রয়েছে। তাকে আদালতে তোলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, আব্দুল ওয়াদুদ আলফু চেয়ারম্যানের বাড়ি সিলেটের বরইকান্দি এলাকায়।

