সিলেটরবিবার , ২৯ মার্চ ২০২৬
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি

সিলেটে হ ত্যা মা ম লা র আসামী গ্রে ফ তা র

admin
মার্চ ২৯, ২০২৬ ১:৪০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:

সিলেট নগরীর পাঠানটুলা থেকে র‌্যাব অভিযান চালিয়ে হবিগঞ্জের লাখাই থানার হত্যা মামলার আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ইরাজ মিয়া হত্যার পর গ্রেফতারকৃত কামাল মিয়া (৪৭) আত্মগোপন করেন পাঠানটুলা এলাকার একটি বাসায়। শনিবার (২৮ মার্চ) র‌্যাব তাকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত কামাল মিয়া কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম থানাধীন বালিগাঁও গ্রামের মৃত জয়েদ আলীর ছেলে।

র‌্যাব জানায়, নিহত ইরাজ মিয়া হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানাধীন ফরিদপুর এলাকার বাসিন্দা। হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানাধীন বালিগাঁও এলাকার ডাঃ তরিকুল ইসলাম জেম্স এবং তার ভাই লন্ডন প্রবাসী জুয়েল মিয়ার কিছু জমি কামাল মিয়াসহ অন্যরা অন্যায়ভাবে জবর দখল করে চাষাবাদের চেষ্টা করলে কিছুদিন পূর্বে উক্ত বিষয়ে তাদের মধ্যে সালিশ বৈঠক হয়। সালিশ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ভিকটিমের বড় ভাই সাবেক মেম্বার সাহাব উদ্দিন এবং সেই সাথে বৈঠকে নিহত ইরাজ মিয়াসহ এলাকার অনেক গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ডাঃ তরিকুল ইসলাম জেমস্ ও তার ভাইয়ের জমিগুলি অন্যায় ও অবৈধভাবে চাষাবাদ করতে বিবাদীদের নিষেধ করা হয়। এসময় বিবাদীরা সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অমান্য করে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করায় ভিকটিম প্রতিবাদ করলে  বিবাদীগণ ভিকটিম ও তার বড় ভাইকে প্রাণে মারার হুমকি প্রদান করে।র‌্যাব আরও জানায়, এই ঘটনার জের ধরে এ বছর ৯ জানুয়ারি সকালে নিহত ইরাজ মিয়া অষ্টগ্রাম থানাধীন আদমপুর বাজারে যাওয়ার পথে বালি ফরিদপুর এলাকার মসজিদ ও মাদ্রাসা সংলগ্ন পাকা রাস্তার উপর পৌঁছা মাত্রই পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক রক্তাক্ত কাটা জখম করে। পরবর্তীতে আশপাশের লোকজন ভিকটিমকে আশংকাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের ছেলে বাদী হয়ে হবিগঞ্জ জেলার লাখাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।