সিলেটSaturday , 1 October 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. ব্রেকিং নিউজ
  13. মতামত
  14. মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু
  15. রাজনীতি
সবখবর

মোগল আমলে নির্মিত সাত গম্বুজ মসজিদ

Link Copied!

মুহাম্মাদ ইয়ামিন :
মোগল আমলে নির্মিত ঢাকার মোহাম্মাদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদ। মসজিদটি ১৬৮০ সালে সুবাদার শায়েস্তা খাঁর পুত্র উমিদ খাঁ নির্মাণ করেন। চারটি বড় মিনার ও তিনটি ছোট মিনারের সমন্বয় তৈরি হওয়াতে এটির নামকরণ করা হয়েছে সাত গম্বুজ মসজিদ।

মোহাম্মদপুর স্ট্যান্ড হয়ে বাঁশবাড়ী রোড দিয়ে একটু সামনে এগোলোই রাস্তার বাম পাশে মসজিদটি অবস্থিত। এর অগ্রভাগে ইট, বালু-সিমেন্টের ঢালাই করা বিশাল ফাঁকা জায়গা রয়েছে যেখানে মুসল্লিরা ঈদের নামাজ কিংবা জানাজার নামাজ আদায় করেন। ফাঁকা জায়গাটির একেবারে শেষে যেখানে মুসল্লিদের নামাজের জায়গা শেষ হয়েছে সেখানে কিছু সমাধি রয়েছে।

কথিত আছে- সেখানে শায়েস্তা খাঁর মেয়ের কবরও রয়েছে। শায়েস্তা খাঁর মেয়ের কবরটি বিবির মজার বলে পরিচিত। কবরের জায়গাটি ঘিরে বেশ কিছু সবুজ গাছ বেড়ে উঠেছে; যা মসজিদটিসহ পুরো আঙিনাকে সৌন্দর্যের এক ভিন্নমাত্রা দিয়েছে।

মসজিদের পেছনে একটি বিশাল সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পানির চৌবাচ্চা রয়েছে, যেখানে মুসল্লিরা পবিত্রতা অর্জনের জন্য অজু করেন।

ছাদে তিনটি বড় গম্বুজ ও চারটি ছোট গম্বুজ রয়েছে। মসজিদটির আয়তন নামাজের স্থান থেকে বাইরের দিকে ১৭.৬৮ দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থে ৮.২৩ মিটার। এটির ভেতর থেকে বাহিরে বের হতে পাঁচটি দরজা রয়েছে। দুপাশে দুইটি দরজা ও তিনটি দরজা মিম্বারের সামনের দিকে। পশ্চিম দেয়ালে রয়েছে তিনটি মিহরাব।

হালকা লাল ও মৃদু ব্রাউন বর্ণের দান্দনিক এ মসজিদটি কাছে কিংবা দূর থেকে অত্যন্ত রাজকীয় ও সুন্দর দেখায়। মসজিদের ভেতরে প্রায় ৯০-৯৫ জন মুসল্লির নামাজ পড়ার মতো জায়গা রয়েছে। বাইরের প্রশস্ত যেই জায়গাটি আছে সেখানেও প্রায় দুই-আড়াইশ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন একসঙ্গে।

মসজিদের সভাপতি হাজি মোহাম্মাদ সামছুল হক (৬৮) বলেন, ছোটবেলা থেকেই আমি এই মসজিদটি দেখছি। মসজিদটি বেশ পুরনো। প্রায় ৪০০ বছরের বেশি বয়স মসজিটির। আমি নামাজ আদায় করছি আলহামদুলিল্লাহ। শৈশবে দেখতাম মসজিটিতে অল্প কিছু মুসল্লি হতো আর এখন অনেক মুসল্লি হয়। অবশ্য পাশে একটি মাদ্রাসা থাকার কারণে সেটি সহজ হয়েছে। এখানে নামাজ আদায় করতে আমার বেশ ভালো লাগে, দেখতেও মসজিদটি সুন্দর।

মসজিদের সামনে একটি বড় উদ্যান রয়েছে। উদ্যানটি ঈদের সময় খুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর মসজিদটির দেখাশোনা করে।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 992 বার