সিলেটমঙ্গলবার , ২১ এপ্রিল ২০২৬
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি
সবখবর

রাশিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় মৌলভীবাজারের যুবক নিহত

admin
এপ্রিল ২১, ২০২৬ ১১:২৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:

দালালের প্রলোভনে রাশিয়ার পক্ষে যুদ্ধে গিয়ে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় প্রাণ হারান মৌলভীবাজারের মুহিবুর রহমান (২৭) নামে এক যুবক। গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাশিয়ায় মারা গেলেও সোমবার (২০ এপ্রিল) বিষয়টি জানাজানি হয়।

মুহিবুর মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আমতৈল ইউনিয়নের সম্পদপুর গ্রামের বাসিন্দা মসুদ মিয়ার ছেলে। মুহিবুর রাশিয়ায় যুদ্ধের বিভিন্ন বাংকারে খাবার রান্নার কাজ করতেন।

মুহিবুরের মৃত্যুর বিষয়টি রাশিয়া থেকে পরিবারের কাছে জানান তার সহকর্মী মেহেদী হাসান। দেশে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুহিবুরের ছোট ভাই হাবিবুর রহমান।

হাবিবুর রহমান জানান, তার বড় ভাই মুহিবুর উচ্চশিক্ষার আশায় কয়েক বছর আগে রাশিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে আড়াই বছর পড়ালেখা করেন। এরপর দেশে এসে এক মাস থেকে আবার রাশিয়া চলে যান। সেখানে যাওয়ার কিছুদিন পর পরিবারের সদস্যদের জানান তিনি রাশিয়ার সেনাবাহিনীর রান্নার কাজ করেন। সবশেষ গত বছর দেশে এসে বিয়ে করে আবার রাশিয়া চলে যান।

হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বছর দুই আগে দালালেরা ভাইকে প্রলোভন দেখায় রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে অংশ নিলে মোটা অঙ্কের বেতন ও যুদ্ধ শেষে নাগরিকত্ব মিলবে। ভাই পরিবারকে না জানিয়ে হয়তো দালালদের প্রলোভনে পড়ে যুদ্ধে অংশ নেন। যেহেতু তিনি আমাদেরকে বলেছেন রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে খাবার রান্না করে খাওয়ান।’ তিনি বলেন, গত সপ্তাহে একটি বাংকারে অবস্থানকালে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় সেটি বিধ্বস্ত হলে ঘটনাস্থলেই আমার ভাই মুহিবুর নিহত হন। রাশিয়ান সেনাদের জন্য খাবার সরবরাহকারী মেহেদি হাসান প্রথমে পরিবারের কাছে তার মৃত্যুর খবর পৌঁছায়।

হাবিবুর রহমান বলেন, আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিলেন আমার ভাই। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে একটাই দাবি জানাই আমার ভাইয়ের লাশটা যেন আমাদের কাছে এনে দেওয়া হয়।

সোমবার রাতে আমতৈল ইউনিয়নের পরিষদের সদস্য মো. ইকবাল আহমদ বলেন, ‘আমরা মুহিবুরের পরিবারের কাছ থেকে শুনেছি ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় সে রাশিয়ায় মারা গেছে। সে রাশিয়ার হয়ে ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিল।