বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি:
বিয়ানীবাজারে চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। গত সপ্তাহে পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ২০টি গ্যাস রাইজার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া বাসাবাড়িতেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নারীসহ অন্তত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশের নজরদারি জোরদারের পাশাপাশি রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় তরুণ-যুবকেরা।
‘আপনি ঘুমান, আমরা গ্রাম পাহারা দেব’—এ স্লোগানে বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা পালাক্রমে রাতের পাহারায় অংশ নিচ্ছেন। পৌরশহরের খাসাড়িপাড়ায় একাধিক বৈঠকের পর এলাকার প্রবেশপথ ও অলিগলিতে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সন্দেহজনক কাউকে দেখা গেলে দ্রুত খবর পৌঁছাতে চালু করা হয়েছে বিশেষ যোগাযোগব্যবস্থা।
এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান রুমেল বলেন, আমাদের গ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাতে পাহারার ব্যবস্থা করেছি। গ্রামের মোড়ে মোড়ে ও প্রবেশপথে পাহারা বসানো হয়েছে। এলাকার লোকজন পালাক্রমে পাহারায় অংশ নিচ্ছেন।
এদিকে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিয়ানীবাজার থানা পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে টহল জোরদার, অভিযানে বডি ক্যামেরা ব্যবহার, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি স্থাপন এবং অনলাইনভিত্তিক অপরাধ শনাক্তে নজরদারি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সহিংস অপরাধ, কিশোর গ্যাং, সংঘবদ্ধ অপরাধচক্র, মাদক ও চোরাচালান এবং ডিজিটাল জালিয়াতি মোকাবিলায় স্থানীয় তরুণ-যুবকদেরও সম্পৃক্ত করতে চায় পুলিশ।
বিয়ানীবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর মো. মাহফুজুল কবির বলেন, অপরিচিত কাউকে দেখলেই আক্রমণাত্মক আচরণ না করে নম্রভাবে কথা বলতে হবে। তাঁর কথাবার্তা ও আচরণ খেয়াল রাখতে হবে। তবে অযথা কাউকে সন্দেহ করা বা হয়রানি করা যাবে না।

