সিলেটThursday , 24 November 2022
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. প্রবাস
  9. বিচিত্র সংবাদ
  10. বিনোদন
  11. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  12. ব্রেকিং নিউজ
  13. মতামত
  14. মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু
  15. রাজনীতি

মাদক মামলায় জকিগঞ্জে মহিলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেটের জকিগঞ্জে মাদক কারবারী মহিলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। পাশাপাশি দন্ডপ্রাপ্ত আসামীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৪ মাসের বিনাশ্রমে কারাদন্ড দেওয়া হয়। বুধবার (২৩ নভেম্বর) সিলেটের অতিরিক্ত দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মো. আক্তার হোসেন এ রায় প্রদান করেন।

দন্ডপ্রাপ্ত আসামীর নাম-মোছা: ফরিদা বেগম (২২) সিলেটের জকিগঞ্জ থানার পূর্ব লোহারমহল শেখপাড়ার মৃত মতছিন আলীর কন্যা। এ মামলায় খালাসপ্রাপ্ত আজমল হোসেন (৩২) পূর্ব লোহারমহলের আব্দুর রহিমের পুত্র।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১ আগস্ট বেলা ১২টার দিকে সিলেট আখালিয়া ৪১ ব্যাটালিয়ন ই-কোম্পানির একদল সদস্য গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জকিগঞ্জের লোহারমহল পাকা রাস্তার উপরে সানরাইজ স্কুলের সামনে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মহিলা ফরিদা বেগমকে গ্রেফতার করে। এসময় তার দেহ তল্লাশি করে ২০ বোতল ও ভ্যানিটি ব্যাগে রক্ষিত ১০ বোতলসহ মোট ৩০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার ও জব্দ করে। উদ্ধারকৃত ফেনসিডিলের বাজার মূল্যে ১২ হাজার টাকা। এ সময় ফরিদা বেগমের কোলে ৩ বছরের একটি ছেলে সন্তান ছিলো।

এ ব্যাপারে সিলেট আখালিয়া ৪১ ব্যাটালিয়ন ই-কোম্পানির নায়েব সুবেদার মো. শাহজাহান আলী বাদি হয়ে গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে জকিগঞ্জ থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করেন। যার নং- ৩ (০১-০৮-২০১৫)।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ১৮ আগস্ট জকিগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন ফরিদা বেগম ও আজমল হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র নং-১১২) দাখিল করেন। ২০১৬ সালের ২৭ জুলাই আদালত এ ২ আসামীকে অভিযুক্ত করে এ মামলার বিচারকার্য শুরু করেন। দীর্ঘ শুনানী ও ৮ সাক্ষীর মধ্যে ৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামী ফরিদা বেগমকে ১৯৯০ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধনী-২০০৪) এর ১৯ (১) ও টেবিল ৩ (খ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে উল্লেখিত দন্ডাদেশ প্রদান করেন এবং অপর আসামী আজমল হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে এ মামলার দায় হতে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি এডভোকেট মো. শামসুল ইসলাম ও এপিপি এডভোকেট মোস্তফা দিলওয়ার আল আজহার এবং আসামীপক্ষে এডভোকেট মইনুল ইসলাম ও এডভোকেট আলী আহমদ মামলাটি পরিচালনা করেন।

এই সংবাদটি পড়া হয়েছে : 987 বার