সিলেটবুধবার , ১৫ এপ্রিল ২০২৬
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি
সবখবর

বিশ্বনাথে বন্ধুকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা

admin
এপ্রিল ১৫, ২০২৬ ১১:৪৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:

পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে সিলেটের বিশ্বনাথে বন্ধুর কুড়ালের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছে শাহ আলম নামের এক যুবক। বুধবার (১৫ এপ্রিল) বিকাল আড়াইটার দিকে উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের ধলিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর পালিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে স্থানীয় বৈরাগীবাজার থেকে আটক করে। পরে তার বাড়িতে নিয়ে এসে আটকে থানা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে স্থানীয় জনতা মিজানুরকে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেন।

এরপর হত্যায় ব্যবহৃত কুড়ালসহ মিজানুর রহমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। ঘাতক মিজানুর ধলিপাড়া গ্রামের দলিল লেখক (মরির) বশির উদ্দিনের পুত্র। আর নিহত শাহ আলম তাদের পার্শ্ববর্তী খাজাঞ্চী ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের ছিফত উল্লাহ’র পুত্র।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিজানুরের সাথে নিহত শাহ আলমের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক ছিল।ঘটনার সময় ধারের (পাওনা) টাকা চাইতে শাহ আলম ঘাতক মিজানুরের বাড়িতে আসেন। এসময় টাকা চাওয়া নিয়ে তাদের (মিজানুর-আলম) মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহ আলমকে বাড়ির সামনের রাস্তায় নিয়ে কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেন মিজানুর। শাহ আলমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে (আলম) মৃত ঘোঘণা করেন।

এব্যাপারে নিহত শাহ আলমের মা আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলে (শাহ আলম) মিজানুরের কাছে টাকা পায়। আর বুধবার সেই টাকা চাইতে গেলে সে (মিজানুর) আমার ছেলেকে হত্যা করে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। আর এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

ঘটনার পর পালিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত মিজানুর রহমানকে স্থানীয় বৈরাগীবাজার থেকে আটক করে। পরে তার বাড়িতে নিয়ে এসে আটকে থানা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে স্থানীয় জনতা মিজানুরকে থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেন।

এরপর হত্যায় ব্যবহৃত কুড়ালসহ মিজানুর রহমানকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। ঘাতক মিজানুর ধলিপাড়া গ্রামের দলিল লেখক (মরির) বশির উদ্দিনের পুত্র। আর নিহত শাহ আলম তাদের পার্শ্ববর্তী খাজাঞ্চী ইউনিয়নের প্রতাপপুর গ্রামের ছিফত উল্লাহ’র পুত্র।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মিজানুরের সাথে নিহত শাহ আলমের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে। বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই তাদের মধ্যে আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক ছিল।ঘটনার সময় ধারের (পাওনা) টাকা চাইতে শাহ আলম ঘাতক মিজানুরের বাড়িতে আসেন। এসময় টাকা চাওয়া নিয়ে তাদের (মিজানুর-আলম) মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহ আলমকে বাড়ির সামনের রাস্তায় নিয়ে কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপ দেন মিজানুর। শাহ আলমকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে (আলম) মৃত ঘোঘণা করেন।

এব্যাপারে নিহত শাহ আলমের মা আনোয়ারা বেগম বলেন, আমার ছেলে (শাহ আলম) মিজানুরের কাছে টাকা পায়। আর বুধবার সেই টাকা চাইতে গেলে সে (মিজানুর) আমার ছেলেকে হত্যা করে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান বলেন, সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। আর এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।