স্টাফ রিপোর্টার:
সিলেট নগরের কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা এই সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং কয়েকটি যানবাহন ও বাস কাউন্টার ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর জরুরি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরের পর পরিবহন শ্রমিকদের দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। এর জের ধরে বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলে। এ সময় টার্মিনালের বাস কাউন্টার ও যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং উভয়পক্ষকে নিয়ে বাস টার্মিনাল কার্যালয়ে জরুরি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আগামী ২ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সিলেট সফরে আসছেন। এই সফর সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যখন এই সফর সফল করতে দিনরাত কাজ করছি, তখন পরিবহন শ্রমিকদের এই সংঘর্ষ অত্যন্ত দুঃখজনক ও অনভিপ্রেত।”
আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেট-কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ-সাদাপাথর বাস মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবুল হক চৌধুরী, মালিক সমিতি নেতা মুক্তার আহমদ, নূর মিয়া, জিতু মিয়া। শ্রমিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি সাহেব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবেদ সুলতান তারেক ও আলী আকবর রাজন, সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মিয়া জবু, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসনাত, প্রচার সম্পাদক হারিছ আলী প্রমুখ।
নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সিসিক প্রশাসকের প্রতিশ্রুতির পর শ্রমিকরা শান্ত হলে বিকেলে কদমতলী এলাকায় পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

