সিলেটমঙ্গলবার , ৩ নভেম্বর ২০২৬
  1. আইন-আদালত
  2. আন্তর্জাতিক
  3. উপ সম্পাদকীয়
  4. খেলা
  5. ছবি কথা বলে
  6. জাতীয়
  7. ধর্ম
  8. নির্বাচন
  9. প্রবাস
  10. বিচিত্র সংবাদ
  11. বিনোদন
  12. বিয়ানী বাজার সংবাদ
  13. ব্রেকিং নিউজ
  14. মতামত
  15. রাজনীতি

সিলেটে গোপনে যৌন উত্তেজক সিরাপ তৈরি: ব্যবসায়ীর কারাদণ্ড, ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

admin
নভেম্বর ৩, ২০২৬ ৬:১৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক :
সিলেট নগরের লালদিঘির পাড় হকার্স মার্কেটে অয়িানি চালিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একইসাথে এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এবং জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ভেজাল ও নকল পণ্য উৎপাদনের অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা এবং এর সাথে জড়িত এক ব্যবসায়ীকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম শাহ জামাল উদ্দিন।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মিশু ও জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরবিভাগীয় কার্যালয়ের এডি জয়নাল আবেদীন, নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি টিম।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, হকার্স মার্কেটের একটি ভবনের চারতলায় গোপনে বিভিন্ন নিষিদ্ধ ও ভেজাল পণ্য উৎপাদন করা হতো। বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ‘গণচিনি’ নামক উপাদানের সাহায্যে এসব পণ্য তৈরি করা হতো, যা মূলত প্রত্যন্ত অঞ্চলে যৌন উদ্দীপক হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মিশু জানান, এ ধরনের ক্ষতিকারক পদার্থ মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয় এবং এর ব্যবহারে ইতোমধ্যে অনেকের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এসব পণ্যের প্যাকেজিংয়ে “পাবনা, বাংলাদেশ” লেখা থাকলেও এর পেছনে জড়িত মূল চক্র বা উৎপাদনের আসল উৎস সম্পর্কে ব্যবসায়ীরা সঠিক তথ্য দিতে ব্যর্থ হন।

পরিচালিত এই অভিযানে অনিয়ম ও নকল পণ্য প্রস্তুতের দায়ে ঘটনাস্থলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে এক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ব্যক্তিকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। এ ছাড়া অন্য দুটি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন শিশুখাদ্য বিক্রয় এবং অন্যান্য কোম্পানির ট্রেডমার্ক ও প্যাকেজিং নকল করে মানহীন পণ্য বাজারজাত করার অপরাধে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আরিফুল ইসলাম মিশু আরও জানান, বাজার মনিটরিং এবং ব্যবসায়ীদের নিয়ে নিয়মিত সভা-সেমিনার ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হলেও অতি মুনাফার লোভে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী জেনেশুনে এ ধরনের ক্ষতিকারক ও অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ভেজাল ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এমন অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।